সিবিএস নিউজ মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) আইনজীবীরা অভিবাসন বিচারকদের অনুরোধ করছেন, যেন আবেদনগুলোর কোনো শুনানি না করেই সেগুলো খারিজ করে দেয়া হয়। প্রশাসনের নতুন কৌশল হলো- আবেদনকারীরা তাদের নিজ দেশে নির্যাতিত হলেও তাদের এমন সব দেশে পাঠিয়ে দেয়া হবে যে দেশগুলো তাদের নিজস্ব নয়।
আইসিই আইনজীবীরা বিচারকদের নির্দেশ দিচ্ছেন যেন আশ্রয়প্রার্থীদের গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস, ইকুয়েডর এবং উগান্ডার মতো দেশগুলোতে বিতাড়ন করা হয়। এই পদক্ষেপের ফলে আবেদনকারীরা তাদের মামলার গুণাগুণ বা মেরিট প্রমাণের কোনো সুযোগই পাবেন না।
এই নতুন কৌশলটি এমন এক সময়ে সামনে এল যখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০২৬ সালে অভিবাসীদের বিরুদ্ধে আরও বড় ধরনের অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। জুলাই মাসে রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেস একটি বিশাল ব্যয় বিল পাস করেছে, যার মাধ্যমে আইসিই এবং বর্ডার প্যাট্রোল বিভাগ ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অতিরিক্ত ১৭০ বিলিয়ন ডলার তহবিল পাবে।
উল্লেখ্য, এই সংস্থাগুলোর বার্ষিক বাজেট বর্তমানে প্রায় ১৯ বিলিয়ন ডলার। বিপুল পরিমাণ এই বাড়তি তহবিল ব্যবহার করে ট্রাম্প প্রশাসন তাদের কঠোর অভিবাসন নীতি বাস্তবায়নে আরও আগ্রাসী হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সিবিএস নিউজের এই প্রতিবেদনের বিষয়ে হোয়াইট হাউস, আইসিই কিংবা ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটি থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
রয়টার্স জানিয়েছে, তারা প্রতিবেদনটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করার চেষ্টা করছে।
মানবাধিকার কর্মীদের মতে, এই ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন এবং রাজনৈতিক আশ্রয়ের মৌলিক নীতিগুলোর পরিপন্থী। এটি সরাসরি হাজার হাজার মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দিতে পারে।







