জাতীয় রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে যখন বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি (বিএনপি)‑এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডন হতে ১৭ বছর পর আজ দেশে পৌঁছেছেন। তাঁর ঢাকায় আগমন দেশজুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
তরুণ ও প্রবীণ সমর্থকরা বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত হন এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মন্তব্য করছেন যে তার ফেরত দেশীয় রাজনীতিতে বিরাট প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে আগামী ফেব্রুয়ারি ২০২৬‑তে নির্ধারিত সাধারণ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে।
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জানিয়েছে যে তারা আগামী নির্বাচনে সর্বোচ্চ ন্যায্য ও গ্রহণযোগ্য ভোট নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬‑তে, যা এই বছরের প্রথমে ঘোষিত হয়।
তবে রাজনৈতিক উত্তেজনা নিয়েও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এবং পর্যবেক্ষকরা বলেছেন যে নির্বাচন‑পূর্ব সময়সীমায় সহিংসতা, গণমাধ্যমে চাপ এবং নিরাপত্তা ইস্যু বেড়েছে, যা নির্বাচনের পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে।
অন্যদিকে, দেশের প্রধান দল আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বর্তমানে নিষিদ্ধ অবস্থায় রয়েছে এবং তারা ঘোষিত নির্বাচনের তারিখকে “অবৈধ ও পক্ষপাতদুষ্ট” বলে কঠোর বিরোধ জানিয়েছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি ভবিষ্যৎ ভোট ও সরকারীয় কাঠামোর জন্য একটি ডাইনামিক পরিবর্তনের সূত্রপাত ঘটাতে পারে এবং সাধারণ নাগরিক ও রাজনৈতিক দলের কাছে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে কি না, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।






